নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে জোটের প্রার্থী বাদ দিয়ে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর দাবিতে ডোমার ও ডিমলা উপজেলা শহরে পৃথকভাবে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় বিএনপির নেতা–কর্মীরা।
আজ শনিবার দুপুরে ডিমলা উপজেলা শহরের শঠিবাড়ি সড়কে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। ডিমলা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে ওই বিক্ষোভ সমাবেশ হয়।
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ভাগনে শাহরিন ইসলাম চৌধুরীকে (তুহিন) বিএনপির প্রার্থী ঘোষণার দাবিতে বের হওয়া ওই মিছিলটি উপজেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে মিছিলটি শহরের স্মৃতি অম্লান চত্বরের সামনে সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা সড়কের ওপর টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মো. রইছুল আলম চৌধুরী। বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য সেতারা সুলতানা, ডিমলা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মনোয়ার হোসেন, সাবেক সহসভাপতি মো. আরিফ উল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. বদিউজ্জামান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গোলাম রব্বানী প্রমুখ।
বক্তারা এই আসনে বিএনপি জোটের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীকে বয়কট ঘোষণা করে বলেন, এই আসনে শাহরিন ইসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করা না হলে তাঁরা এই আসনে তাঁকে প্রার্থী করে এবং তাঁর বিজয় সুনিশ্চিত করে হাইকমান্ডকে দেখিয়ে দেবেন। দ্রুত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য তাঁরা কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রতি আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, ডোমার-ডিমলা এলাকায় বিএনপির ব্যাপক ভোটব্যাংক রয়েছে। তাঁরা জোটের প্রার্থীকে বাদ দিয়ে বিএনপির প্রার্থী শাহরিন ইসলাম চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়ার জোর দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। সংবাদ সম্মেলন শেষে ডোমার উপজেলার প্রধান সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
২৩ ডিসেম্বর বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নীলফামারী-১ আসনে বিএনপি জোটের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীকে প্রার্থী ঘোষণা দেন। দুই উপজেলার বিএনপির নেতা–কর্মীদের দাবি, এই আসনে শাহরিন ইসলাম চৌধুরীর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। তিনি নীলফামারী-১ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এত দিন ধানের শীষের পক্ষে ব্যাপক প্রচার–প্রচারণা চালিয়েছেন।













