খুঁজুন
, ,

সৈয়দপুরে প্রধানমন্ত্রী, বাস থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীদের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ
সৈয়দপুরে প্রধানমন্ত্রী, বাস থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীদের

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রংপুরের ঐতিহ্যবাহী ধর্মসভা রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে সৈয়দপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে বাসে রওনা দেওয়ার সময় সড়কের দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান তিনি। এ সময় নেতাকর্মীরা তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে বিমানযোগে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে বিমানবন্দর থেকে বাসে করে সড়কপথে রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। এ সময় সৈয়দপুরের বিভিন্ন স্থানে সড়কের দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, রংপুরের ধর্মসভা রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে তিনি সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফিরে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা দেবেন।

রাজশাহীতে পৌঁছে দুপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পাশাপাশি নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। পরে সেখান থেকে বিমানযোগে চট্টগ্রামে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যায় নগরীর রহমতগঞ্জের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে রাতে বিমানযোগে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

 

৩০ বছর পর তিস্তার বুকে নৌকা বাইচ, ফিরে পেল হারানো ঐতিহ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ
৩০ বছর পর তিস্তার বুকে নৌকা বাইচ, ফিরে পেল হারানো ঐতিহ্য

একসময় তিস্তার বুকে ঢেউয়ের তালে তালে ছুটত সারি সারি নৌকা। মাঝিদের সম্মিলিত বৈঠার ছন্দ, দর্শকদের উল্লাস আর নদীর দুই পাড়ে মানুষের উপচে পড়া ভিড়ে তৈরি হতো উৎসবের আমেজ।

কালের বিবর্তনে সেই দৃশ্য অনেকটাই হারিয়ে গিয়েছিল। প্রায় ৩০ বছর পর নীলফামারীর ডিমলায় আবারও তিস্তা নদীতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যেতে বসা এই লোকজ আয়োজন ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বসিত নদীপারের মানুষ।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে জেলার ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের তিস্তা নদীতে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা দেখতে নদীর দুই পাড়ে জড়ো হন আশপাশের বিভিন্ন এলাকার শত শত মানুষ। প্রতিযোগিতার শেষ পর্যায়ে ‘পাগলপাড়া এক্সপ্রেস’ নামের নৌকাটি বিজয়ী হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় তিস্তা নদীতে নৌকা বাইচ ছিল গ্রামীণ জীবনের আনন্দ ও উৎসবের অন্যতম অনুষঙ্গ। নদীকেন্দ্রিক জনপদে এ আয়োজন ঘিরে তৈরি হতো ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে প্রবীণ—সব বয়সী মানুষের কাছে নৌকা বাইচ ছিল উপভোগের এক বিশেষ উপলক্ষ। তবে সময়ের পরিবর্তন, মানুষের ব্যস্ততা ও আয়োজনের ধারাবাহিকতা না থাকায় ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিযোগিতা ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসে।

প্রতিযোগিতা দেখতে আসা স্থানীয় যুবক কামরুল ইসলাম বলেন, আমরা যারা এখনকার তরুণ, তারা এ ধরনের নৌকা বাইচ খুব একটা দেখার সুযোগ পাই না। তবে বাবা-দাদাদের কাছে শুনেছি, আগে ছোট-বড় বিভিন্ন নদীতে নৌকা বাইচের আয়োজন করা হতো। তখন এটি ছিল মানুষের আনন্দ-উৎসবের বড় একটি অংশ।

নৌকা বাইচের অতীত স্মৃতি তুলে ধরে ষাট বছর বয়সী অলিয়ার রহমান বলেন, আমরা যখন যুবক ছিলাম, তখনকার নৌকা বাইচ আর এখনকার আয়োজনের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। আগে এ খেলাকে ঘিরে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হতো। মানুষ অনেক আনন্দ নিয়ে নৌকা বাইচ দেখতে আসত।

স্থানীয়দের মতে, তিস্তা নদীকে ঘিরে ডিমলার মানুষের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি ও স্মৃতির সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। একসময় নদীর বুকে নৌকা বাইচের আয়োজন সেই সম্পর্ককে আরও প্রাণবন্ত করে তুলত। নদীর দুই পাড়ে দর্শকদের উপস্থিতি, মাঝিদের বৈঠা চালানোর প্রতিযোগিতা এবং বিজয়ী নৌকাকে ঘিরে উচ্ছ্বাস—সব মিলিয়ে সৃষ্টি হতো প্রাণবন্ত পরিবেশ।

প্রায় তিন দশক পর নৌকা বাইচের আয়োজন হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আয়োজকদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাঁদের প্রত্যাশা, বিচ্ছিন্ন একটি আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নৌকা বাইচকে নিয়মিত আয়োজনের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে গ্রামবাংলার এ ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে।

টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন প্রতিযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন। তাঁর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নৌকাগুলোর মধ্যে শেষ পর্যন্ত ‘পাগলপাড়া এক্সপ্রেস’ বিজয়ী হয়।

প্রতিযোগিতা শেষে এলাকাবাসী প্রতিবছর নিয়মিত নৌকা বাইচ আয়োজনের জন্য আয়োজকদের প্রতি আহ্বান জানান। তাঁদের মতে, এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয় বরং গ্রামীণ সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণেরও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

 

তামাক ছেড়ে মাল্টায় বাজিমাত মামুনের, বছরে আয় ১০ লাখ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
তামাক ছেড়ে মাল্টায় বাজিমাত মামুনের, বছরে আয় ১০ লাখ

করোনার লকডাউনে যখন চারদিক স্থবির; সেই ঘরবন্দি সময়কে কাজে লাগিয়ে ভিন্ন কিছু করার কথা ভেবেছিলেন কলেজশিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন। সীমান্ত এলাকায় ক্ষতিকর তামাক চাষের বিপরীতে তিনি বেছে নেন মাল্টা চাষ। মাত্র আড়াই লাখ টাকা বিনিয়োগে গড়ে তোলা সেই বাগান এখন বছরে আয় দিচ্ছে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা। তার এই অভাবনীয় সাফল্য শুধু নিজের ভাগ্যই বদলায়নি, কর্মসংস্থান করেছে কয়েকটি পরিবারের। পাশাপাশি এলাকার তরুণদের দেখাচ্ছে নতুন এক সম্ভাবনার স্বপ্ন।

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের তালেরতল গ্রাম। এখানকার বিস্তীর্ণ জমিতে একসময় কেবল তামাকেরই রাজত্ব ছিল। তবে ২০২১ সালে সেই প্রথা ভাঙেন লালমনিরহাট সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন। তামাকের বদলে শুরু করেন মাল্টা চাষ। দুই একর জমিতে পরিকল্পিতভাবে বাগান তৈরি করে নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে এগিয়ে নেন নিজের উদ্যোগ।

উদ্যোক্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান তার এই ভিন্নধর্মী উদ্যোগের পেছনের গল্প। তিনি বলেন, ‌‘দুর্গাপুর ইউনিয়নটি একদম সীমান্তবর্তী। পুরো জেলায় ব্যাপকভাবে তামাকের চাষাবাদ হয়। এ কারণে মাদকের উপদ্রবও বেশি। করোনাকালীন ঘরবন্দি সময়ে চিন্তা আসে, কীভাবে মানুষকে তামাক চাষ থেকে নিরুৎসাহিত করা যায়। তরুণদের মাদকের ছোবল থেকে রক্ষায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়। মূলত সেই ভাবনা থেকেই এই মাল্টা বাগানের শুরু।

বর্তমানে তার বাগানের বয়স পাঁচ বছর ছুঁয়েছে। তামাক বাদ দিয়ে গড়ে তোলা এই মিশ্র ফলদ বাগানে মাল্টার পাশাপাশি আছে কমলা ও পেঁপে। একসময় পেয়ারাও ছিল। ক্ষতিকর ফসল চাষের চেয়ে ফলের বাগান থেকে কয়েকগুণ বেশি লাভ করা সম্ভব। এখন প্রতিদিনই অনেকে বাগান দেখতে ও পরামর্শ নিতে আসেন।

যাদের জমি আছে; সেসব তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘জমিতে তামাক চাষ না করে আমরা ছোটখাটো মিশ্র ফলের বাগান করতে পারি। এতে তামাকের চেয়ে বেশি লাভবান হওয়া যাবে, পরিবেশ সুন্দর থাকবে এবং কর্মসংস্থান বাড়লে হতাশাগ্রস্ত হয়ে কাউকে মাদকের দিকে ঝুঁকতে হবে না।’

আব্দুল্লাহ আল মামুনের এই উদ্যোগ শুধু তাকেই আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করেনি, চারপাশের মানুষের মুখেও হাসি ফুটিয়েছে। বাগানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে স্থানীয় চারটি পরিবার। বাগান পরিচর্যার দায়িত্বে থাকা মোকলেসুর রহমান মমিন বলেন, ‘যখন চারা রোপণ করা হয়; তখন থেকে আমরা চারজন এখানে কাজ করছি। শুরুতে ভাবছিলাম স্যার হয়তো সফল হবেন না। কিন্তু এক বছর পর যখন গাছে ফল আসতে শুরু করল, আমাদের ধারণাই বদলে গেল। এখন তো ডালে ডালে ফল। এই বাগানের বেতনের টাকায় আমাদের পরিবারের খরচ ও সন্তানদের পড়াশোনা খুব ভালোভাবে চলছে।’

মাল্টার ভারে নুয়ে পড়া ডাল আর সবুজের সমারোহ দেখতে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসছেন তরুণ ও আগ্রহী কৃষকেরা। তারা মাল্টা চাষের পদ্ধতি, উৎপাদন খরচ ও লাভের হিসাব নিচ্ছেন। অনেকেই স্বপ্ন বুনছেন নতুন বাগান করার।

পরামর্শ নিতে আসা তরুণ শিহাব ইসলাম বলেন, ‘আমাদের অঞ্চলে তামাকের চাষ বেশি। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে স্যার ফলের বাগান করে যে লাভবান হয়েছেন; তা দেখে আমরা শিখতে পারছি। আমি মূলত পরামর্শ নিতে এসেছি, ভবিষ্যতে আমারও এমন একটি বাগান করার ইচ্ছা আছে।’

আরেক তরুণ মজনু ইসলাম বলেন, ‘গাছে ফল আসা শুরু থেকে আমি প্রতিদিন এখানে এসে সময় দিচ্ছি। মাল্টা বাগান কীভাবে পরিচর্যা করতে হয়, তার বাস্তব প্রশিক্ষণ নিচ্ছি। আগামী বছর নিজের জমিতে এমন একটি ফলের বাগান করার লক্ষ্য নিয়েই প্রতিদিন এখানে আসা।’

কৃষিতে এমন উদ্যোগ তামাকনির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি বিকল্প ফসল চাষে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. সাইখুল আরিফিন বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে মাল্টা চাষ ও যথাযথ পরিচর্যা করা গেলে কৃষকেরা আর্থিকভাবে ব্যাপক লাভবান হবেন। পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।’

তামাক চাষের প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে মাল্টা চাষে আব্দুল্লাহ আল মামুনের সাফল্য আগামী দিনের কৃষি উদ্যোক্তাদের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা।

রংপুরে পূজামণ্ডপে ভক্তদের অনুরোধে সেলফি তুললেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ
রংপুরে পূজামণ্ডপে ভক্তদের অনুরোধে সেলফি তুললেন প্রধানমন্ত্রী

শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীতে রংপুরের ঐতিহাসিক রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের দুর্গা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী ভক্তদের অনুরোধে তাদের সঙ্গে সেলফি তোলেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৫ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী মণ্ডপে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মন্দির কমিটির সদস্যরা।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী মণ্ডপে উপস্থিত ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে মন্দির কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

এরআগে, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টায় ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে বিমানবাহিনীর একটি বিমানে রওনা হন এবং সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তারেক রহমান সড়কপথে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হন।

তাকে স্বাগত জানাতে তারাগঞ্জ ও পাগলাপীরসহ সড়কের দুই পাশে শতশত নেতাকর্মী অবস্থান নেন। প্রধানমন্ত্রী তার গাড়িবহর থেকে তাদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় তিনি পথে দুই স্থানে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যও দেন। তিনি দেশের ও জনগণের কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দলের বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম রংপুর সফর।

এরআগে, সকালে প্রধানমন্ত্রী সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তোলেন এবং বিভিন্ন খেলা সামগ্রী উপহার দেন। এ সময়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।