খুঁজুন
, ,

প্রধানমন্ত্রীর চোখ এড়াতে বালু দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে ময়লার ভাগাড়

জেলা প্রতিনিধি, নীলফামারী
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর চোখ এড়াতে বালু দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে ময়লার ভাগাড়

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নীলফামারীর সৈয়দপুরে বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা ময়লার ভাগাড় বালু দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। সৈয়দপুর-পার্বতীপুর সড়কের পাশে ড্রিম প্লাস হোটেলের সামনে থাকা এই ভাগাড়ে দীর্ঘদিন ধরে বাসাবাড়ি, হাসপাতাল ও হোটেলের বর্জ্য ফেলা হচ্ছিল। এতে ছড়াচ্ছিল দুর্গন্ধ, দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। তবে দীর্ঘদিনেও স্থায়ী সমাধান না হলেও প্রধানমন্ত্রীর সফর সামনে রেখে ভাগাড়টি ঢেকে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে সৈয়দপুর শহরের টার্মিনাল এলাকা থেকে পার্বতীপুর সড়কের ড্রিম প্লাস হোটেলের সামনে গিয়ে দেখা যায়, ময়লার স্তূপের ওপর বালু ফেলে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার এবং সড়কের ডিভাইডার মেরামত ও রং করার কাজ চলছে।

সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে এই সড়ক দিয়েই রংপুরে যাওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। তাঁর আগমন উপলক্ষে পৌরসভার এসব তৎপরতা দেখা গেলেও দীর্ঘদিনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর ধরে সৈয়দপুর শহরের বিভিন্ন বাসাবাড়ি, হাসপাতাল ও হোটেল থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্য ওই স্থানে ফেলা হতো। উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য জমে থাকায় আশপাশের এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াত। এতে সড়ক দিয়ে চলাচলকারী মানুষ ও আশপাশের বাসিন্দাদের ভোগান্তি পোহাতে হতো। ময়লার ভাগাড়টি সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয়রা। তবে দীর্ঘদিনেও এ বিষয়ে দৃশ্যমান কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তাঁদের অভিযোগ।

স্থানীয় বাসিন্দা লতিফুর রহমান বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলার দাবি জানিয়ে আসছি। দুর্গন্ধের কারণে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ এত দিন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। এখন প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জায়গাটি পরিষ্কার করে বালু ফেলা হচ্ছে।

পথচারী হাসানুর রহমান বলেন, এই সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় দুর্গন্ধে নাক চেপে রাখতে হতো। শহরের বিভিন্ন জায়গার ময়লা এনে এখানে স্তূপ করে রাখা হতো। আজ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ পরিষ্কার করছে। এভাবে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হলে আমাদের চলাচলে সুবিধা হবে।

এ বিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা বলেন, জায়গাটি ক্যান্টনমেন্টের। ক্যান্টনমেন্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও সেখানে অল্প পরিসরে ময়লা ফেলেন। এভাবে ময়লা ফেলতে ফেলতে জায়গাটি বড় ডাম্পিং স্টেশনে পরিণত হয়েছে। প্রথমে সেখান থেকে ময়লা সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে অবশিষ্ট বর্জ্য পচানোর জন্য তা সমতল করে দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে এই কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না, আমরা এর আগেও তিনবার এ রকম করেছি। ক্যান্টনমেন্ট ও স্থানীয় লোকজন ময়লা ফেলতে ফেলতে এটিকে অনেক বড় ডাম্পিং স্টেশনে পরিণত করেছেন। চাইলেই এটি বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব নয়। আবার ঘন ঘন বর্জ্য অপসারণ করাও সম্ভব নয়।

এটি অবৈধ ডাম্পিং স্টেশন কি না, জানতে চাইলে ইউএনও বলেন, জায়গাটি ক্যান্টনমেন্টের। এ বিষয়ে ক্যান্টনমেন্ট কর্তৃপক্ষ বলতে পারবে।

প্রসঙ্গত, সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে বিমানে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। সেখান থেকে তিনি রংপুর নগরীর রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। বেলা ১১টার দিকে মন্দির পরিদর্শন শেষে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফিরে রাজশাহীর উদ্দেশে যাত্রা করবেন। পরে রাজশাহী থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

 

 

প্রধানমন্ত্রীর রংপুর সফর ঘিরে যুবদলের জরুরি সভা, ১৬৪ পূজামণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক কমিটি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর রংপুর সফর ঘিরে যুবদলের জরুরি সভা, ১৬৪ পূজামণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক কমিটি

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রংপুর আগমন উপলক্ষে মহানগরীতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা এবং দুর্গাপূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে রংপুর মহানগর যুবদল। এ লক্ষ্যে নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডের ১৬৪টি পূজামণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক কমিটি গঠন করেছে সংগঠনটি।

রোববার (১৮ অক্টোবর) রংপুর নগরীর গ্র্যান্ড হোটেল মোড়স্থ দলীয় কার্যালয়ে মহানগর যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত এক জরুরি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নগরীতে সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রংপুর মহানগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডের তালিকাভুক্ত ১৬৪টি পূজামণ্ডপে যুবদলের পক্ষ থেকে গঠিত স্বেচ্ছাসেবক কমিটির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁরা সংশ্লিষ্ট পূজামণ্ডপের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক রাখতে সহযোগিতা করবেন।

এ ছাড়া স্বেচ্ছাসেবকদের কার্যক্রম তদারক করতে সংশ্লিষ্ট থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাদের সমন্বয়ে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এর মাধ্যমে পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক থাকার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় মহানগর যুবদলের নেতারা প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে নগরীর সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দলীয় নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর জোর দেন।

 

দুর্গাপূজায় নিরাপত্তায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াচ্ছে এসআরবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
দুর্গাপূজায় নিরাপত্তায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াচ্ছে এসআরবি

0-0x0-0-0#

শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে নীলফামারীতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৩। পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সাদা পোশাকে সদস্য মোতায়েনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গুজব ও অপপ্রচার ঠেকাতে সাইবার মনিটরিংয়ের পাশাপাশি প্রতিমা বিসর্জনের দিনও বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে নীলফামারী কেন্দ্রীয় কালীমন্দিরে এসআরবি-১৩-এর নীলফামারী ক্যাম্পের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে লিখিত বক্তব্য দেন এসআরবি-১৩-এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবু রোহানী পারভেজ রনী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে স্থানীয় পূজা উদ্‌যাপন কমিটি, জনপ্রতিনিধি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে এসআরবি-১৩। পূজামণ্ডপকেন্দ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নাশকতা ও যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত টহল জোরদার, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং সাদা পোশাকে সদস্য মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার ছড়িয়ে যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে, সে বিষয়েও নজরদারি রাখা হবে। প্রতিমা বিসর্জনের দিন বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে দুর্গাপূজাকে ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। উৎসবের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদ্‌যাপন কমিটি, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

এ ছাড়া দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নাশকতা বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে এসআরবি-১৩।

ডিমলায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে ৫১ বিজিবির অধিনায়ক

ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ
ডিমলায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে ৫১ বিজিবির অধিনায়ক

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিউর রহমান। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর উপজেলার গয়াবাড়ি ইউনিয়নের কালীবাড়ি কেন্দ্রীয় মন্দির, বড় হরিসভা পাড়া, ঝুমঝুম পাড়াসহ কয়েকটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি পূজার সার্বিক পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

সীমান্তবর্তী এলাকায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে বিজিবির পক্ষ থেকে এ নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পূজামণ্ডপে আগত ভক্ত-দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ডিমলা উপজেলার সীমান্ত থেকে আট কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত ১১টি পূজামণ্ডপ রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি)-এর থানারহাট কোম্পানির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার অন্তর্ভুক্ত। এসব পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় চার প্লাটুনে মোট ১২০ জন বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, নিয়মিত নজরদারি ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

৫১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিউর রহমানের নেতৃত্বে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে থানারহাট বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন এসআইপি সিপাহি শিব্বির আহম্মদ।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিউর রহমান বলেন, “শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সীমান্তবর্তী এলাকার পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫১ বিজিবি সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে সবাই শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ধর্মীয় উৎসব উদ্‌যাপন করতে পারেন। সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদস্যরা দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।”

গয়াবাড়ি ইউনিয়নের শুটিবাড়ি বাজার সর্বজনীন দুর্গাপূজা মণ্ডপের সভাপতি শ্রী কনাই লাল কর্মকার বলেন, “দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিজিবি সদস্যদের তৎপরতা ও পূজামণ্ডপ পরিদর্শন আমাদের মধ্যে নিরাপত্তার বিষয়ে আস্থা বাড়িয়েছে। আমরা চাই, সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব উদ্‌যাপন করুক। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।”

সীমান্তবর্তী এলাকায় পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির এ তৎপরতাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের পারস্পরিক সহযোগিতায় ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।