খুঁজুন
, ,

নীলফামারীতে রেললাইনের পাশে মিলল অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪১ পূর্বাহ্ণ
নীলফামারীতে রেললাইনের পাশে মিলল অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ

নীলফামারী সদর উপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের গাঠাংটারী এলাকায় রেললাইনের পাশে তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। নিহত যুবকের বয়স আনুমানিক ২৮ বছর।

স্থানীয়দের ধারণা, মঙ্গলবার রাতে কোনো একটি ট্রেনে কাটা পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে কীভাবে এ ঘটনা ঘটেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে রেললাইনের পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। পরে খবর পেয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত যুবকের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা রফিক ইসলাম বলেন, ‘মরদেহ দেখে তাঁকে চেনা যাচ্ছে না। আশপাশের এলাকার কেউ হলে আমরা চিনতে পারতাম। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেছে।’

আরেক বাসিন্দা প্রতাপ রায় বলেন, ‘দেখে মনে হচ্ছে, ছেলেটি হিন্দু ধর্মাবলম্বী হতে পারে। তাঁর বাম হাতে একটি দাগ রয়েছে।’

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী বলেন, নীলফামারীতে ট্রেনে কাটা পড়ে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে এখনো তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান

শিক্ষক কিংবা অন্য পেশায় থেকে সাংবাদিকতার সুযোগ নেই

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
শিক্ষক কিংবা অন্য পেশায় থেকে সাংবাদিকতার সুযোগ নেই

শিক্ষকতা কিংবা অন্য কোনো পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের সাংবাদিকতা করার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকতা একটি স্বতন্ত্র ও দায়িত্বশীল পেশা। এ পেশায় যুক্ত ব্যক্তিদের পেশাগত আচরণবিধি ও নীতিমালা মেনে চলা জরুরি।

বুধবার সকালে তেঁতুলিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের আয়োজনে ও উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব (যুগ্ম সচিব) আব্দুস সবুর এবং তেঁতুলিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লাইছুর রহমান।

বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেন, অন্য পেশার সঙ্গে যুক্ত থেকে একই সময়ে সাংবাদিকতা করা পেশাগত শৃঙ্খলা ও নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শিক্ষকরা সরকারের বেতনভুক্ত, তাই তাঁদের অন্য পেশা বা সাংবাদিকতা করার সুযোগ নেই। সাংবাদিকতা শুধু একটি পদবি কিংবা পরিচয়পত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ সংগ্রহ, তথ্য যাচাই, সত্যতা নিশ্চিত করা, নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সাংবাদিকদের পালন করতে হয়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত অনেকেই সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কেউ শিক্ষকতা করছেন, কেউ ব্যবসা করছেন, আবার কেউ অন্য পেশায় যুক্ত থেকেও সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। এ ধরনের দ্বৈত পেশা সাংবাদিকতার পেশাগত স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।

প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বলেন, সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে পেশাগত পরিচয় ও দায়িত্বের বিষয়টি স্পষ্ট থাকা প্রয়োজন। সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে একজন সাংবাদিককে ব্যক্তিগত, পেশাগত কিংবা ব্যবসায়িক স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের সময় তথ্যের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। সাংবাদিকতার স্বাধীনতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি এর সঙ্গে দায়িত্বশীলতাও জড়িত।

সভায় বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব (যুগ্ম সচিব) আব্দুস সবুর বলেন, সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যেন ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়, প্রভাব বিস্তার কিংবা অন্য কোনো স্বার্থ হাসিল করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পেশাদার সাংবাদিকতার মান উন্নয়নে সাংবাদিক, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকতার নীতিমালা ও আচরণবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হলে গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বাড়বে। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীলভাবে সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার কথাও বলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, সাংবাদিকতা কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা আদায় কিংবা প্রভাব বিস্তারের মাধ্যম নয়; বরং জনগণের কাছে সত্য ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকদের পেশাগত সততা, নিরপেক্ষতা ও নৈতিকতা বজায় রাখা অপরিহার্য।

মকবুল হত্যা মামলায় তিন আসামি গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
মকবুল হত্যা মামলায় তিন আসামি গ্রেপ্তার

নীলফামারীর জলঢাকায় জমি ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে মকবুল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় তিন আসামিকে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে এসআরবি- ১৩ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে রাতে নরসিংদী জেলার মাধবদী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জলঢাকা উপজেলার পূর্ব বালাগ্রাম আদর্শপাড়ার আবু সাঈদ (২৭), জাহাঙ্গীর আলম (৩০) ও তহিদুল ইসলাম (২৬)। তাঁরা ওই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৫, ৬ ও ৭ নম্বর আসামি।

এসআরবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-১৩-এর নীলফামারী ক্যাম্প ও এসআরবি-১১-এর নরসিংদী ক্যাম্পের একটি যৌথ দল অভিযান চালায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভার সামনে থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মাধবদী থানার পাঁচদোনা মোড় এলাকা থেকে আবু সাঈদকে এবং রাতে মাধবদী নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হন মকবুল হোসেন (৫৬)। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে প্রথমে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই মহির উদ্দিন বাদী হয়ে জলঢাকা থানায় হত্যা মামলা করেন।

এসআরবি আরও জানায়, এ মামলার চার নম্বর আসামি আনারুল ইসলামকে (৫০) গত ২৯ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সর্বশেষ তিনজনকে গ্রেপ্তারের পর তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

৩০ বছর পর তিস্তার বুকে নৌকা বাইচ, ফিরে পেল হারানো ঐতিহ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ
৩০ বছর পর তিস্তার বুকে নৌকা বাইচ, ফিরে পেল হারানো ঐতিহ্য

একসময় তিস্তার বুকে ঢেউয়ের তালে তালে ছুটত সারি সারি নৌকা। মাঝিদের সম্মিলিত বৈঠার ছন্দ, দর্শকদের উল্লাস আর নদীর দুই পাড়ে মানুষের উপচে পড়া ভিড়ে তৈরি হতো উৎসবের আমেজ।

কালের বিবর্তনে সেই দৃশ্য অনেকটাই হারিয়ে গিয়েছিল। প্রায় ৩০ বছর পর নীলফামারীর ডিমলায় আবারও তিস্তা নদীতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। দীর্ঘদিন পর হারিয়ে যেতে বসা এই লোকজ আয়োজন ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বসিত নদীপারের মানুষ।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে জেলার ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের তিস্তা নদীতে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা দেখতে নদীর দুই পাড়ে জড়ো হন আশপাশের বিভিন্ন এলাকার শত শত মানুষ। প্রতিযোগিতার শেষ পর্যায়ে ‘পাগলপাড়া এক্সপ্রেস’ নামের নৌকাটি বিজয়ী হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় তিস্তা নদীতে নৌকা বাইচ ছিল গ্রামীণ জীবনের আনন্দ ও উৎসবের অন্যতম অনুষঙ্গ। নদীকেন্দ্রিক জনপদে এ আয়োজন ঘিরে তৈরি হতো ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে প্রবীণ—সব বয়সী মানুষের কাছে নৌকা বাইচ ছিল উপভোগের এক বিশেষ উপলক্ষ। তবে সময়ের পরিবর্তন, মানুষের ব্যস্ততা ও আয়োজনের ধারাবাহিকতা না থাকায় ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিযোগিতা ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসে।

প্রতিযোগিতা দেখতে আসা স্থানীয় যুবক কামরুল ইসলাম বলেন, আমরা যারা এখনকার তরুণ, তারা এ ধরনের নৌকা বাইচ খুব একটা দেখার সুযোগ পাই না। তবে বাবা-দাদাদের কাছে শুনেছি, আগে ছোট-বড় বিভিন্ন নদীতে নৌকা বাইচের আয়োজন করা হতো। তখন এটি ছিল মানুষের আনন্দ-উৎসবের বড় একটি অংশ।

নৌকা বাইচের অতীত স্মৃতি তুলে ধরে ষাট বছর বয়সী অলিয়ার রহমান বলেন, আমরা যখন যুবক ছিলাম, তখনকার নৌকা বাইচ আর এখনকার আয়োজনের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। আগে এ খেলাকে ঘিরে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হতো। মানুষ অনেক আনন্দ নিয়ে নৌকা বাইচ দেখতে আসত।

স্থানীয়দের মতে, তিস্তা নদীকে ঘিরে ডিমলার মানুষের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি ও স্মৃতির সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। একসময় নদীর বুকে নৌকা বাইচের আয়োজন সেই সম্পর্ককে আরও প্রাণবন্ত করে তুলত। নদীর দুই পাড়ে দর্শকদের উপস্থিতি, মাঝিদের বৈঠা চালানোর প্রতিযোগিতা এবং বিজয়ী নৌকাকে ঘিরে উচ্ছ্বাস—সব মিলিয়ে সৃষ্টি হতো প্রাণবন্ত পরিবেশ।

প্রায় তিন দশক পর নৌকা বাইচের আয়োজন হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আয়োজকদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাঁদের প্রত্যাশা, বিচ্ছিন্ন একটি আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে নৌকা বাইচকে নিয়মিত আয়োজনের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে গ্রামবাংলার এ ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে।

টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন প্রতিযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন। তাঁর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নৌকাগুলোর মধ্যে শেষ পর্যন্ত ‘পাগলপাড়া এক্সপ্রেস’ বিজয়ী হয়।

প্রতিযোগিতা শেষে এলাকাবাসী প্রতিবছর নিয়মিত নৌকা বাইচ আয়োজনের জন্য আয়োজকদের প্রতি আহ্বান জানান। তাঁদের মতে, এ ধরনের আয়োজন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয় বরং গ্রামীণ সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণেরও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।