লালমনিরহাটে চালু হলো ই-ট্রাফিক সেবা

বাংলাদেশ পুলিশের রংপুর রেঞ্জের উপ মহাপরিদর্শক(ডিআইজি) দেবদাস ভট্টাচার্য্য বিপিএম বলেছেন, আগে ঢাকার কোন যানবাহনের চালক লালমনিরহাটে এসে ট্রাফিকের কেস হলে নির্দিষ্ট দিনক্ষণে ওই যানবাহনের মালিককে আবারো জরিমানা পরিশোধ ও কাগজপত্র নিতে লালমনিরহাট ট্রাফিক অফিসে আসতে হত। এ জরিমানা পরিশোধ করতে সময় অর্থ দু’টোই অপচয় হত মালিকের। এরপরও দীর্ঘ ভিরে ট্রাফিক অফিসে দাঁড়িয়ে থাকতে হত। তাই ট্রাফিক সেবা হাতের কাছে পৌছে দিতে ই-ট্রাফিক সেবা চালু করা হয়েছে। এখন কোন যানবাহনের ট্রাফিকের মামলা হলে সাথে সাথে পাশের ইউক্যাশ পয়েন্টে তা পরিশোধ করলে তাৎক্ষনিক ভাবে পাবেন কাগজপত্র আর জরিমানার অর্থও তাৎক্ষণিক ভাবে রাজস্বখাতে জমা হবে। এতে ভোগান্তি কমার পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশের অনিয়মের সুযোগও বন্ধ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(০৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রংপুর বিভাগে প্রথম বারের মত লালমনিরহাটে ই-ট্রাফিক সেবার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য বলেন, ট্রাফিক কেস দিলেই ইউক্যাশে জরিমানার অর্থ জমা দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে মিলবে কাগজপত্র। জরিমানা দিতে দুর থেকে আর যেতে হবে না ট্রাফিক অফিসে। ট্রাফিক অফিসে দাঁড়িয়ে থাকার দিন শেষ।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি বলেন, প্রথম পর্যয়ে লালমনিরহাট জেলায় মোট ৭টি ইউক্যাশ পয়েন্ট করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ পয়েন্ট বাড়ানো হবে। সকল বিভাগীয় শহরে আগেই ই-ট্রাফিক সেবা চালু হলেও রংপুর অঞ্চলে আজই প্রথম। উদ্বোধনের সাথে সাথে তিনটি ত্রæটিপুর্ন যানবাহনে জরিমানা আদায় করেন তিনি। এ সময় ট্রাফিক আইন মেনে চলে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সকলের প্রতি আহবান জানান তিনি।

লালমনিরহাট পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক পিপিএম-সেবা’র সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি সিরাজুল হক, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি আব্দুল হামিদ বাবু, পুলিশ সুপার পদন্নতি প্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ এনএম নাসির উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) হাসান ইকবাল চৌধুরী ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদ সোহরাওয়ার্দি প্রমুখ।