“রংপুরে এরশাদের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে চাই” -সাবেক সাংসদ আসিফ শাহরিয়ার

প্রয়াত আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ভাতিজা, সাবেক সংসদ সদস্য আসিফ শাহরিয়ার বলেছেন, আমি এরশাদের ভাতিজা, আমার জন্ম রংপুরে, তার শূন্য আসনে উপ-নির্বাচনে আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে জাপার প্রতিষ্ঠাতা, কান্ডারি, ৬৮ হাজার গ্রাম বাংলার নয়নমণি প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে চাই, রংপুর কে নিয়ে এরশাদের চিন্তা চেতনার প্রতিফল ঘটাতে চাই। আমাকে নিয়ে যতই ষড়যন্ত্র হোক না কেন, রংপুরের সাধারণ জনগন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আমার সাথে আছেন, থাকবে ইনশাআল্লাহ। আশা করি জাপার তৃণমূল নেতাকর্মীদের চাওয়া-পাওয়া, দাবি কে মূল্যায়িত করে সর্বসম্মতিক্রমে দল থেকে আমাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন।
আজ দিনব্যাপী রংপুর সদর উপজেলার সদ্যপুস্করিনী ইউনিয়নের পালিচড়াহাট, মমিনপুর, চন্দনপাট, শ্যামপুর বন্দর, হরিদেবপুর ও খলেয়ার বিভিন্ন হাট বাজারে শোডাউনসহ জাতীয় পার্টির তৃনমূলের ত্যাগী নেতাকর্মী ও সাধারন জনগনের সাথে মতবিনিময় কালে এরশাদের ভাতিজা আসিফ শাহরিয়ার এ কথা বলেন। এসময় তার সাথে ছিলেন, সদর উপজেলা জাপার সাবেক সেক্রেটারি সুজন মাস্টার, জাপা নেতা শামসুল আলম, সদ্যপুস্করিনী ইউনিয়ন জাপার সাবেক সভাপতি আঃ মতিন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক নূরনবী মিয়া, সদর উপজেলা জাপা ও সদ্যপুস্করিনী জাপার সাবেক সভাপতি মরহুম আবেদ আলী ক্যাশিয়ারের ছেলে, সাবেক সেক্রেটারি রায়হানুর রহমান রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলে রাব্বি, চন্দনপাট ইউনিয়ন জাপার সেক্রেটারি ইউপি সদস্য আঃ মালেক হিটলার, সদর উপজেলা ছাত্র সমাজের সাবেক সভাপতি সাগর মন্ডল, জাপা নেতা রেজাউল ইসলাম প্রমূখ।
এর আগে সাবেক সাংসদ আসিফ শাহরিয়ার ১০/১২ টি কার, মাইক্রোবাস যোগে দুই শতাধিক নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে তার নগরীর সেনপাড়াস্থ বাসভবন স্কাই ভিউ থেকে রওয়ানা দেন। তিনি পাগলাপীর দিয়ে হরিদেবপুর, মমিনপুর, লাহিড়ীরহাট, বালাচওড়া, চন্দনপাট, বৈকুন্ঠপুর,শ্যামপুর বন্দর, পুটিমারী, কেশবপুর, পালিচড়াহাট, ভুরারঘাট, দর্শনা হয়ে নগরীতে প্রবেশ করেন।এসময় তিনি পথচারী, সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণির-পেশার মানুষ জনের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, ভাল-মন্দ খোঁজ খবর নেন।। পাশাপাশি আসন্ন সংসদ নির্বাচনে জাপার এমপি পদে সবার দোয়া কামনা করেন।