বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে গভীর শোক প্রকাশ এবং বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী জ্ঞাপন করেছেন– নিজাম উদ্দিন

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী,বাঙ্গালী জাতীর মুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা,স্বাধীণ বাংলাদেশের স্থপতি,বাঙ্গালী জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট হত্যাকান্ডের শিকার সকলকে স্মরণ করে গভীর শোক প্রকাশ ও বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী জ্ঞাপন করেছেন – সুইজারল্যান্ড আওয়ামীলীগ ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নিজাম উদ্দিন। তিনি বলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট দেশীয়, আন্তজার্তীক ষড়যন্ত্রকারী,বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা, স্বাধীণতা বিরোধী ও ক্ষমতালোভী চক্রের যোগসাজগে নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা করা হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। খুনী চক্রের নিশৃংসতা থেকে রক্ষা পায়নি জাতির পিতার কনিষ্ঠ পুত্র ৮ বছর বয়সী শেখ রাসেল । আজকের এই দিনে ষড়যন্ত্রকারী ও খুনীদের প্রতি তীব্র ঘৃনা প্রকাশ করছি। ঐ দিন হত্যাকান্ডের শিকার জাতির পিতা সহ পরিবারের সকলের আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং দেশের বাইরে পালিয়ে থাকা সাজাপ্রাপ্ত খুনীদের অনতিবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের সাজা কার্যকরের জোর দাবী জানাচ্ছি। তিনি আরো বলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের হত্যাকান্ড এবং ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে খুনি জিয়ার,কুলাঙ্গার পুত্র তারেক রহমানের পরিকল্পনায় গ্রেনেড হামলা একই সূত্রে গাঁথা। ১৯৭৫ সালে ১৫ আগষ্টে জাতির পিতাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থেকে খুনি জিয়া প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশকেই হত্যা করেছিলো। যেন তার প্রভু পাকিস্থানীদের চাহিদামতো বাঙ্গালী জাতি অন্তঃসার শূন্য জাতিতে পরিণত হয়। ঠিক একই ভাবে তার পুত্র কুলাঙ্গার তারেক জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করে এ দেশকে পুনরায় তাদের লুটপাট ও খুনের আখরায় পরিণত করে পাকিস্থানী ধ্যান-ধারণায় ফিরে যেতে চেয়েছিল। ২১ আগষ্টের গ্রেনেড হামলার মূল পরিকল্পনাকারী পলাতক সাজাপ্রাপ্ত তারেককে ফিরিয়ে এনে তার সাজা কার্যকরেরও জোর দাবী জানান এবং “বাংলাদেশ আওয়ামীগের সকল ইউনিটের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের দেশের স্বাধীণতা,সার্বভৌমত্ব রক্ষা,উন্নয়ণ কর্মকান্ডে সরকারকে সহযোগীতা,দূর্ণীতি-মাদক-সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে সদা সোচ্চার এবং দেশবিরোধী যেকোন অপকর্ম রুখে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার আহবান জানান।