নৌকা পেলে রংপুর -৩ আসনে বিজয় ছিনিয়ে আনতে পারে রেজাউল করিম রাজু

এগিয়ে আসছে রংপুর সদর আসনের উপ-নির্বাচনের সময়।আর দিন যত যাচ্ছে নির্বাচন মাঠ ততোই সর-গরম হয়ে উঠছে।এরশাদের আসন জাতীয় পার্টিরই থাকবে, নাকি চলে যাবে আওয়ামী লীগের দখলে এ নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

এরই মধ্যে আ’লীগের মনোনয়ন বিক্রি ও জমার কার্যক্রম শেষ হয়েছে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, রংপুর-৩ আসনে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী ১৮ জন আবেদনপত্র সংগ্রহ করেছেন এবং জমা দিয়েছেন।
এবং ৭ সেপ্টেম্বর (শনিবার) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবনে মনোনয়ন বোর্ডের সভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

আর কে হবে আ’লীগের চূড়ান্ত প্রার্থী তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিয়েছে রংপুরের তৃণমুল নেতা-কর্মীদের মধ্যে।অনেকেই মতামত দিচ্ছেন এত প্রার্থীর ভিড়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে তো কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ?

তবে একাধিক দলীয় নেতা-কর্মী বলছেন,রংপুর সদর ৩ আসনের উপ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাজু’র কথা।তিনি রংপুর আ’লীগ পরিবারকে একটি সু-সংগঠিত করে রংপুরে আ’লীগের রাজনীতি ধরে আছেন দীর্ঘ সময় ধরে।আর তার প্রতিদান স্বরূপ তাকেই চূড়ান্ত প্রার্থী করা হলে, তিনি নৌকার বিজয় ছিনিয়ে আনতে পারেন বলে তাকে মনোনীত করার দাবি তুলেছে তৃণমুল নেতা-কর্মীরা।

রংপুর মহানগর যুবলীগের সভাপতি সিরাজুম মনির বাসার বলেন,মার্জিত আচরণ ও সৃজনশীল চিন্তা এবং প্রবল ব্যক্তিত্বের কারণে দলীয় নেতা -কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিচ্ছন্ন নেতা হিসেবে রাজু ভাইয়ের খ্যাতি আছে।তিনি নৌকা পেলে আ’লীগের সকল অঙ্গ -সংগঠন জোটবদ্ধ ভাবে কাজ করবে এবং নৌকার বিজয় সু-নিচ্ছিত করবে।

মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মনির হোসেন বলেন,রংপুরের আ’লীগের রাজনিতীর এক উজ্জ্বল নক্ষত্র রাজু ভাই।তিনি শিক্ষা-দীক্ষায়,রাজনিতীতে সব দিক থেকেই অন্য প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে।

সদ্যপুরিনী ইউনিয়ন আ’লীগ নেতা মফিজার রহমান বলেন,এরশাদের অবর্তমানে সদর আসন আর জাতীয় পার্টিকে ছাড় দেওয়া হবে না। দীর্ঘদিন থেকে রংপুর সদর আসনটি এরশাদের জাপা দখল করে রেখেছিলেন। আর এবার আ’লীগ থেকে একজন যোগ্য প্রার্থী দেওয়ার মধ্য দিয়েই এই আসনে নৌকার বিজয় সম্ভব।

ছাত্রলীগ নেতা সুমন সরকার বলেন,রংপুরের সদর আসনটি জাতীয় পার্টির দখলে ছিল দীর্ঘ সময়।আর তাদের দূর্গ কে ভেঙ্গে নৌকার বিজয় সু-নিচ্ছিত করতে পারেন একজন প্রভাবশালী নেতা।আর এক্ষেত্রে রাজু ভাইয়ের বিকল্প কেউ নেই।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই এরশাদের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৫ অক্টোবর ভোটগ্রহণ হবে। মনোনয়ন দাখিলের শেষ তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর। যাচাই-বাছাই ১১ সেপ্টেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১৬ সেপ্টেম্বর। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৫ অক্টোবর।

রংপুর সদর উপজেলা ও সিটি করপোরেশন নিয়ে গঠিত এ আসনের মোট ভোটার ৪ লাখ ৪২ হাজার ৭২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২১ হাজার ৩১০ জন এবং ২ লাখ ২০ হাজার ৭৬২ জন নারী ভোটার।