রাতের আধাঁরে কালি মূর্তির মাথা কেটে নিয়েছে দূর্বত্তরা

পঞ্চগড় সদর উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের গেদিপাড়া গ্রামের শ্যামাকালি মন্দির এর প্রতিমার দুটি মাথা কেটে নিয়ে গেছে দূর্বত্তরা । সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় বৃহস্পতিবার রাতের আধাঁরে ঐ মন্দির এর প্রতিমার শিব ও কালির মাথা কেটে নিয়েছে দূর্বত্তরা। মন্দির কমিটির সভাপতি ধনেষ চন্দ্র রায় (৪৮) শুক্রবার বিকেল চারটার সময় সাংবাদিকদের জানায় আমাদের কালিমন্দিরটিতে গত কুড়ি বছর যাবৎ পূজা আর্চনা করে আসছি কিন্তু গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মন্দির হতে প্রতিমা বের করে প্রতিমার মাথা দুটো কেটে নেওয়া হয়েছে, সকালে মন্দিরে পূজা দিতে এসে এলাকার সনাতন মহিলারা দেখতে পায় প্রতিমা বাহিরে পরে আছে প্রতিমার মাথা নেই। আমি তাৎক্ষনিক ভাবে ইউপি সদস্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়কে বিষয়টি জানাই এরপর মাগুড়া ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল হোসেনকেও অবহিত করা হয় , আমরা এখন খুব আতংকিত কারন আমাদের মূর্তির মাথা যদি কেটে নিয়ে যায় তাহলে আমরা কিভাবে পূজা আর্চনা করবো। গেদিপাড়া গ্রামের দিলিপ চন্দ্র রায় (৩০) ক্ষোভ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের বলেন আমাদের মা বোনেরা এই মন্দিরে প্রতিনিয়ত পূজা করে, এই মূর্তির মাথা কাটার বিষয়টি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মত একটি ঘটনা, আমার ধারনা গতকাল রাতে একদল দূর্বত্ত প্রতিমার দুটি মাথা কেটে নিয়েছে, আমরা বিষয়টি পুলিশ প্রশাসন কে খবর দিয়েছি, আমরা এখন আতংকে আছি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ অদূর ভবিষৎ এ যাতে আর এরকম ঘটনা না ঘটে।

মাগুড়া ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল হোসেন এর সাথে এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হলে তিনি জানান আমি মূর্তির মাথা কাটার খবর শুনে ঐ মন্দিরটি পরিদর্শন করেছি এবং মন্দির এর কমিটির সাথে কথা বললে তারা জানায় আমাদের কারো উপরে কোন সন্দেহ নেই, আমি ঐ এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বিদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামার্শ দিয়েছি।

এ ঘটনার খবর শুনে পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু আক্কাস শুক্রবার বেলা ১১টার সময় মন্দির এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং পুলিশের পক্ষ হতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।