ডোমারে স্ত্রীকে নির্যাতন,শিক্ষক স্বামী আটক

জেলার ডোমারে স্ত্রীকে নির্যাতন ও যৌতুকের মামলায় মোঃ আনিস রহমান মালু(৩৩) নামে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার গভীররাতে ডোমার চিকনমাটি ধনীপাড়ার নিজবাড়ী থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। আটককৃত আনিস চিকনমাটি ধণীপাড়ার মৃতঃ আব্দুর রহমানের ছেলে। সে উপজেলার গোমনাতি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক(শরীর চচার্) হিসেবে কর্মরত।
মামলার বিবরনে জানাযায়,জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল হাজীপাড়া গ্রামের মোঃ আাজিজুল ইসলামের মেয়ে উম্মে রুমানা লিমির সাথে গত সাড়ে চার বছর আগে আনিস রহমানের বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকে আনিস তার স্ত্রীকে ৭ লক্ষ টাকা যৌতুক আনারজন্য প্রতিনিয়ত নির্যাতন করতে থাকে। এরই মাঝে তাদেও সংসাওে মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়। বর্তমানে বাচ্চাটির বয়স আড়াই বছর। বাচ্চাটির দেখে চেয়ে লিমি সবকিছু মুখবুঝে সহ্য করতো। গত ২৪ সেপ্টম্বও আনিস তার স্ত্রী লিমিকে তার বাবার কাছ থেকে ৭ লক্ষ টাকা যৌতুক আনার জন্য তাদের বাড়ী যেতে বললে লিমি তার বাবার বাড়ীতে না যাওয়ায় আনিস তার স্ত্রীকে লাঠি দিয়ে মারধর করে। মারধরের এক পর্যায়ে আনিস তার স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চিপে ধওে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করে। এ সময় তার চিৎকাওে পড়শীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার কওে । খবরপেয়ে লিমির বাড়ীর লোকজন এসে স্থানীয় কাউন্সিলরের পরামর্শে তাকে চিকিৎসার জন্য ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। এ ঘটনায় ৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার থানায় মামলা হলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
লিমি সাংবাদিকদের জানান, তার স্বামী আনিস একজন সমকামী। বিয়ের পর থেকেই সে যৌতুকের জন্য তাকে নির্যাতন করতো। বাচ্চার মুখের দিকে চেয়ে আমি সব সহ্য করে গেছি। সে ডোমারের বেশকিছু ছেলেকে বিভিন্ন প্রলোভনে সমকামীতায় জড়িয়ে ফেলছে। আমি এ সবের প্রতিবাদ করলেই আমার উপর নেমে আসতো নির্যাতন। তিনি তার স্বামীর নির্যাতনের বিচার চেয়েছেন প্রশাসনের কাছে। ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান নারী র্যিাতন মামলায় শিক্ষক আনিস আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,বৃহস্পতিবার সকালেই তাকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।