জলঢাকায় ভিজিএফ’র চাল নিয়ে খাদ্যগুদাম কর্মকর্তার কারিশমা অতঃপর ৬৩ মে.টন চাল আটক

নীলফামারীর জলঢাকায় ভিজিএফ’ চালসহ একটি ট্রাক জব্দ করেছে পুলিশ প্রশাসন। প্রাথমিক ভাবে এসব চাল ভিজিএফ এর বলে নিশ্চিত করে উপজেলা প্রশাসন। চাল গুলোর পরিমাণ প্রায় ৬৩ মে.টন হবে। মালগুলো আটক হওয়ার পর ট্রাক চালক আবুল কালাম এর জবান বন্দিতে উপজেলা খাদ্যকর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম খন্দকারের নাম চলে আসে। বিষয়টি নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সামনে স্বীকারোক্তী হলেও কোন ক্ষমতা বলে আইনের ফঁাক ফোকর থেকে গা ঢাকা পড়ল খাদ্য কর্মকর্তার। চাঞ্চল্যকর এ বিষয়টি প্রধান নায়ক খাদ্য কর্মকর্তাকে নিয়ে স্থানীয় জাতীয় পার্টি একটি র‍্যালি ও প্রতিবাদ সভা করে তবে কোন ফলদয় হয়নি। উল্টো সাধারণ ব্যবসায়ীরা পড়ে গেছে হিমসিমে। প্রত্যক্ষ দর্শীরা বলেন খাদ্য কর্মকর্তাকে আটক করে আইনে সোপর্দ করলে থলের বিড়ালটিও বেড়িয়ে আসতে পারে। উল্লেখ্য শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভিজিএফ এর চাল নিয়ে একটি ট্রাক পৌর শহরের পুরাতন গরুহাটি সংলগ্ন মেসার্স সততা এন্টারপ্রাইজের সামনে অবস্থান করছে। এবং চালের বস্তাগুলো কিছুক্ষণের মধ্যে নামানো হবে। সাথেই ঘটনাস্থলে গিয়ে ১৫৯০ বস্তা চালসহ ট্রাকটি জব্দ করে পুলিশ। যার নং-ঢাকা মেট্রো-ট-১৬-৫৮৮৫। এসময় বিভিন্ন গুদামে অভিযান চালায় নির্বাহী অফিসার। এবং সিরাজুল হক পাকার গুদামে ৫৩০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। তবে অভিযুক্ত আমজাদ হোসেন চালগুলো আমি ইয়াকুব এর কাছে থেকে কিনেছি অপরদিকে মিলার ইয়াকুব বলেন চাল গুলো আমার নয়। শনিবার মুঠোফোনে কথা বললে এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে নিশ্চিত করেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বদরুদ্দোজা। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি অবগত করা হলেও তিনি বলেন সত্যিকারের দোষীকে খুব শ্রীঘ্রই আইনের আওতায় আনা হবে।