জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

 সারা দেশসহ ঢাকার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার (১২ আগস্ট) সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হয় এই জামাত , এসময় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের হাজারো মানুষ অংশ নেন।

নামাজ শেষে রাষ্ট্রপতি উপস্থিত সবার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের জ্যেষ্ঠ পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।

নামাজ শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহসহ দেশ ও জাতির কল্যাণ, সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন জাতীয় ঈদগাহের এ জামাতের আয়োজন করে।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ঈদগাহে পৌঁছলে সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন তাকে স্বাগত জানান।

জামাতে নারী ও বিদেশি কূটনীতিকদের নামাজ আদায়ে বিশেষ ব্যবস্থা ছিল। মুসল্লিদের জন্য ওযু, খাবার পানি ও মোবাইল টয়লেটের ব্যবস্থা ছিল।

জাতীয় ঈদগাহে সুষ্ঠুভাবে ঈদ জামাত অনুষ্ঠানে নেওয়া হয় তিন স্তরের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ঈদগাহে সব প্রবেশ পথ এবং ভিভিআইপি ও ভিআইপিদের নামাজের স্থানসহ ঈদগাহ মাঠের গোটা প্যান্ডেলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়।
মুসল্লিদের ঈদগাহে প্রবেশের আগে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশির পর আর্চওয়ে দিয়ে প্যান্ডেলে প্রবেশ করতে হয়।

প্রধান এ জামাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাদা পোশাকে র‌্যাব এবং পুলিশ সদস্যরা ঈদগাহ ময়দানে সার্বক্ষণিক তৎপর ছিলেন।

ঢাকার দুই সিটি কররোশন এবার ৫৬৮টি স্থানে ঈদ জামাতের আয়োজন করে।

দক্ষিণ সিটির ৭৪টি ওয়ার্ডের প্রত্যেকটিতে ৪টি করে। জাতীয় ঈদগাহ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মাঠসহ মোট ২৯৮টি স্থানে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫৪টি ওয়ার্ডে ৫টি করে মোট ২৭০টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।