দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে অবৈধ ভাবে ভারতীয় গরু আসছে ঝাঁকে ঝাঁকে

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্ত দিয়ে ঈদকে সামনে রেখে গত ১০ দিন ধরে ভারতীয় গরু বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে ঝাঁকে ঝাঁকে । এতে খামারীরা ও দহগ্রামের সাধারন মানুষ হতাশা । ভারতীয় গরু বিক্রিয় হচ্ছে পাটগ্রাম রসুলপুর হাটে।

প্রতিরাতেই  দহগ্রামের একটি সিন্ডিকেটি লেবুনা, ভটভটি, সিএনজিতে গরুর পা বেধেঁ অবাধে পাড়াপার করছেন। ভারতীয় গরুর ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি বিশাল সিন্ডিকেট। ওই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রতিদিন রাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতা ও  কতিপয়  প্রশাসনের কর্মকর্তার মাঝে ভাগাভাগি হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের আঁধারে ভারতীয় গরু বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। ভারতীয় গরু প্রবেশের ফলে তারা নিজের পালিত গরু বিক্রি করতে পারছে না। এ ছাড়া ভারতীয় গরু প্রবেশের কারণে লোকসানের মুখে পড়েছে দেশীয় গরু খামার মালিকরা। মেম্বর ও চেয়ারম্যানের কাছে ধান্না দিও গরু বিত্রিুয়ের স্লিপ পাওনা যায় না।

জানা গেছে, পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম আঙ্গোরপোতা ছিটমহল দিয়ে ভারতীয় গরু ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশের গরু ব্যবসায়ীদের মধ্যে  দীর্ঘদিন ধরে গরুর ব্যবসা পরিচালিত হয়ে আসছে। চোরাই ভাবে আসা গরু গুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করে ৫ শত টাকা মূল্যে নিলামের কাগজ সংগ্রহ করে বৈধতা পায়। যাকে গরু করিডোর বলে।

এ দিকে এক জোড়া ভারতীয় গরু বাংলাদেশের হাটে বিক্রি করে সন্ধ্যায় গরু ব্যবসায়ীদের ওই সিন্ডিকেটকে দিতে হয় ৩০ হাজার টাকা। প্রতিদিন ওই সিন্ডিকেটের আয় লক্ষ লক্ষ টাকা।

পাটগ্রাম উপজেলার পানবাড়ী বিজিবি ক্যাম্পের ইনচার্জ সুবেদার জানান, দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে এখন ভারতীয় গরু আসছে না। বিএসএফ ও বিজিবি’র চোখ ফাঁকি দিয়ে গরু পারাপারের কোনো সুযোগ নেই।

দহগ্রাম ইউ-পি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বলেন, আমার এলাকার জনগণ বাড়ি গরু বিক্রিয়ের কথা বলে ভারতীয় গরু করিডোর পাড় করে, এখানে আমার করার কিছু নেই। তিনি আরও এক প্রশ্নে বলেন, আজ প্রায় ১৮ জন সাংবাদিক আমার এলাকায় আসছে তারাও ভারতীয় গরুর কথা বলেন।

এ বিষয়ে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল করিম জানান, বিষয়টি দেখছি। আপনারা  ভারতীয় গরুর বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করুন যাতে আর ভারতীয় গরু বাংলাদেশে প্রবেশ না করে ।