শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন উপলক্ষে সাঘাটায় আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সভা

 আসন্ন শারদীয় দুর্গা পুজা আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে উদযাপনের লক্ষ্যে সাঘাটা উপজেলার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে সাঘাটা থানা আয়োজনে ২৬ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে থানা সম্মেলন কক্ষে অফিসার ইনচার্জবেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলার ১০ ইউনিয়নের পুজা মন্ডপের সভাপতি ও সেক্রেটারি উপস্থিত ছিলেন। সভায় সাঘাটায় সুষ্ঠভাবে শারদীয় দুর্গা পুজা উদযাপনের লক্ষ্যে সকলের মতামতের ভিত্তিতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সিদ্ধান্তগুলো হচ্ছে-পুজা মন্ডপ সমূহে আইন শৃংখলা রক্ষায় সার্বক্ষনিক নজরদারি, রাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা একশভাগ নিশ্চিত করা, নিজস্ব জেনারেটরের ব্যবস্থা করা,
বাজারের মোড়ে মোড়ে যানজট নিরসন, আযান ও নামাজের সময় বাদ্যযন্ত্র ও মাইক বন্ধ রাখা, দশমীর দিন রাত ৮টার মধ্যেই প্রতিমা বিসর্জন দেয়া, প্রতিটি মন্ডপ ও মন্দিরে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠণ করা। এছাড়াও মাদক সেবি যেন কোন প্রকার অপ্রিতিকর ঘটনা না ঘটে সে দিকে খেয়াল রাখা। রাতের বেলায় ১২ টার পর শুধুমাত্র আনসার বা পুলিশের উপর ভরসা রেখে পুজা মন্ডপ ছেড়ে না থাকা। দর্শণার্থীদের সাথে খারাপ আচরণ না করা। অচেনা কেহ কোন ব্যাগ নিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করলে সে ব্যাগ দেখা। প্রতিটি মন্দিরের ব্যানারে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার ও থানা অফিসার ইনচার্জের মোবাইল নাম্বার রাখতে হবে। যাতে যে কেহ সহজেই ফোন
করে যে কোন সংবাদ আমাদের দিতে পারে।

এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পুলিশিং কমিটির সভাপতি আব্দুল মান্নান মন্ডল, সাঘাটা প্রেস ক্লাব সভাপতি জয়নুল আবেদীন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাঘাটা উপজেলা সভাপতি দ্বিজেন্দ্র নাথ পাল, উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি গৌতম কুমার চন্দ, সুজিত বকসী,প্রকাশ কর্মকারসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাঘাটা থানার এসআই নয়ন কুমার সাহা। সাঘাটা উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয় উপজেলা ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে শুধুমাত্র হলদিয়া ইউনিয়নে কোন পুজা মন্ডপ নেই। বাকী ৯টি ইউনিয়নে ৬৬টি পুজা মন্দির ও মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।