সামাজিক অপরাধ নিমুর্লে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন – গাইবান্ধা পুলিশ সুপার

গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম বলেছেন, কথায় আছে পুলিশ সব পারে, হ্যঁা জনগণ সহযোগিতা করলে পুলিশ সব পারে। সামাজিক যে কোন অপরাধ নিমুর্লে জনগণের সহযোগিতা অবশ্যই প্রয়োজন। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই স্কুল পড়–য়া অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে-মেয়েদের মধ্যে অভিভাবকের ইচ্ছার বাহিরে প্রেমের টানে বাড়ী থেকে বের হয়ে যাওয়া এবং অবাধে মেলা-মেশার প্রবনতা আশংকাজনক হারে বেড়েই চলেছে। এই সব প্রবনতা রোধে অভিভাবকদের পাশাপাশি সমাজের সচেতন মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে। সব ধরণের অপরাধ প্রবনতার রোধে পুলিশকে সহযোগিতার পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তবেই সব ধরণের অপরাধ প্রবনতা থেকে সমাজকে সুরক্ষা করা সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরুতে ৭১ এর ২৫ মার্চ পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলো পুলিশ ও ৭৫ এ ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সময় বাধার সৃষ্টি করেছে পুলিশ।
দেশের দুঃসময়ে আগুন সন্ত্রাস প্রতিরোধেও পুলিশেই একমাত্র অগ্রণী ভুমিকা পালন করে আসছে। এক কথায় প্রতি সময়ে পুলিশ জনগণের পাশে আছে। জনগণকে পুলিশের ভালো কাজে সহযোগিতা করতে হবে। তাহলেই দেশ থেকে সকল অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

শনিবার বিকেলে সাঘাটা থানা পরিদর্শন শেষে থানা পুলিশ আয়োজিত থানা সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ওপেন হাউজ-ডে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

থানা অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওপেন হাউজ-ডে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ সদস্য সাখাওয়াত হোসেন, সামছুজোহা, উপজেলা পুলিশিং কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান মন্ডল, সাঘাটা প্রেসক্লাব সভাপতি জয়নুল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন. জাকিরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা সরদার, বোনারপাড়া ফঁাড়ি থানার ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান, এসআই সাহাদত হোসেন, আজিজুল হক, নয়ন কুমার সাহা, উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি গৌতম কুমার চন্দ, পুলিশিং কমিটির সদস্য জোবাইদুর রহমানসহ অনেকে।