নুরু মাস্টারের পুকুরে শুরু হয়েছে বরশি দিয়ে মাছ ধরা

সৌখিন মৎস শিকারীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা তারা বড়শি ফেলে বসে থাকেন অপেক্ষায়। কখন মাছ টোপ গিলবে। এটাই তাদের মজা, এটাই তাদের আনন্দ। এক্ষেত্রে তাদের শখের যোগান দেয় উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেনী চৌমহনী বাজার সংলগ্ন নুরু মাস্টারের পুকুরে নুরে হাসান সাজু।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা থেকে আগামীকাল বিকাল ৪টা পর্যন্ত মাছ শিকার করা যাবে বলে জানিয়েছেন নুরে হাসান সাজু। এ পুকুরে ৬টি ঘাটে বরশি দিয়ে মাছ ধরা যাবে প্রতিটি ঘাটে ৫টি পর্যন্ত বরশি ফেলা যাবে যার টিকিট মুল্য ৫০০০ টাকা। পুকুর পাড়ে হাজির হয়েছেন অনেক সৌখিন মৎস শিকারীরা। পুকুরের চারিপাশে করা মাচায় বসে বরশি দিয়ে তারা মাছ ধরায় ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। সারা রাত জেগে তারা মাছ ধরবেন। পুকুরে সৌখিন মৎস শিকারীদের দেখতে লেকের চারিপাশে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।
পুকুর মালিক সূত্রে জানা গেছে, পুকুরে এক রাত দুই দিন মাত্র ৬ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করেন সৌখিন মৎস শিকারী। প্রত্যেক প্রতিযোগী এক টিকিটে ৫টি বড়শি নিয়ে পুকুরে মাছ ধরতে পারবে।
সরেজমিনে পুকুরে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিটি মাচায় ৪ থেকে ৫ জন মৎস শিকারী। কেউ বরশি টোপ পানিতে ফেলে বসে আছে মাছ শিকারের আশায়। কেউবা বরশিতে মাছের খাবার গুজে দিচ্ছে।
ধরণীবাড়ী থেকে আসা সৌখিন মৎস শিকারী এরশাদ আরমী বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন জেলায় বরশি দিয়ে মাছ ধরি। তাই এখানে এসেছি মাছ ধরতে । এখানে পুকুরটা অনেক বড়, পরিবেশটাও ভালো। মাছ ধরেই ভালোই আনন্দ পাচ্ছি।
মাছ শিকার দেখতে আসা দর্শনার্থীরা বলেন, পুকুরপাড়ে এসে মাছ ধরার এমন দৃশ্য দেখে আরো বেশি ভাল লাগছে। এমন আয়োজন করলে আমরা দর্শনার্থীরা আনন্দ উপভোগ করতে পারবো।