কুড়িগ্রামে আমনের চলতি মৌসুমে পতিত থাকতে পারে আবাদী জমি

আমনের চলতি মৌসুমে উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে পতিত থাকতে পারে আবাদী জমি। বন্যায় বীজতলা নস্ট, খড়ায় পানির অভাব ও ধানের দাম কম হওয়ায় আবাদে কৃষকদের অনীহায় এমন পরিস্থিতি সৃস্টি হয়েছে। তবে কৃষি বিভাগ বলছে কৃষকদের বিনামূল্যে চারা দেয়া হয় সব ধরণের সহায়তা করা হচ্ছে। ফলে তেমন প্রভাব পড়বেনা আমন আবাদে।
গেল বন্যায় জেলার ৯ উপজেলার ৮৯৪টি গ্রাম প্লাবিত হয়। আমন বীজতলা ও আউশ ক্ষেতসহ প্রায় ১৯ হাজার হেক্টর জমি তলিয়ে যাওয়ার বেশির ভাগ ফসলসহ আড়াই হাজার হেক্টর বীজতলা সম্পূর্ণ নস্ট হয়ে যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয় ৭৫ হাজার কৃষক। ফলে বন্যার পানি নামার কয়েক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও আমন আবাদ লাগাতে পারছিলেন না জেলার অনেক কৃষক। এরমধ্যে আবার দেখা দিয়েছে খড়া। সরকারি চারা বা চড়া দামে চারা কিনলৌ বৃস্টির অভাবে আবাদ লাগাতে পারছেন না কৃষকেরা-

কাজ কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেল জেলার দিনমজুর শ্রমিকরাও। চড়া দামে চারা, ডিজেল ও শ্যালো ইঞ্জিনের ভাড়া মিটিতে অতিরিক্ত খরচ এদিকে ধানের দাম কম হওয়ায় অনেকে জমির মালিকই আমন আবাদ করছেন না। কেউ কেউ খরচ বাঁাচাতে জমিতে ফেলছেন ছিটা ধান-

কৃষি বিভাগ বলছে জেলার ৯ উপজেলায় একশথ একর জমিতে ব্রি-ধান-৪৯ জাতের একশথটি কমিউনিটি ও গাজিয়া, বিনা-১৭, বিনা-৭, ব্রি-ধান-৪৯ ও বিনা-১১ জাতের ৫৬টি ভাসমান বীজতলা করা হয়েছে। ৬ হাজার ১৪ জন কৃষকের প্রত্যেককে এক বিঘা করে জমিতে লাগানোর চারা বিনামূল্যে দেয়া হচ্ছে-
, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কুড়িগ্রামের উপ-পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান
কুড়িগ্রাম জেলায় এ মৌসুমে এক লাখ ২২ হাজার হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে। এরমধ্যে প্রায় এক লাখ হেক্টর জমিতে আবাদ লাগানো হয়েছে।