দিনাজপুরে ২৭ ইটভাটার মালিক কারাগারে

দিনাজপুরে ২৭ ইটভাটার মালিককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ইটভাটা চালাতে জাল আদেশ দেখানো ও জাল নথি তৈরীর মামলায় দিনাজপুরের বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহম্মেদ ভূঞা এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার আসামীরা হলেন পার্বতীপুর উপজেলার এইচবি ব্রিকসের স্বত্বাধিকারী ও জেলা বিএনপির আহবায়ক এজেডএম রেজওয়ানুল হক, যমুনা ব্রিকসের হাসান শাহরিয়ার, আরবি ব্রিকসের রবিউল আলম মুন্সী, অর্ণব ব্রিকসের নুর আলম ও ইব্রাহীম আলী মন্ডল, বারী ব্রিকসের ফখরুল ইসলাম শাহ, এআরবি ব্রিকসের রেজওয়ানুল হক, আরটি ব্রিকসের মো. তাশরিফুল, এসএ ব্রিকসের আমানুল্লাহ প্রামাণিক, জেএস ব্রিকসের শাহরিয়ার ইফতেখারুল আলম চৌধুরী, ফাইভ স্টার ব্রিকসের নজরুল ইসলাম, হক ট্রেডার্সের জিকরুল হক, মাইশা ব্রিকসের রেজাউল ইসলাম, এসপি ব্রিকসের পলাশ কুমার রায়, শফী ব্রিকসের শফিকুল ইসলাম, আজাদ ব্রিকসের আবুল কালাম আজাদ, হামিদ এ্যান্ড সন্স ব্রিকসের মোকারম হোসেন, দিনাজপুর সদরের এ আর ব্রিকসের মাহফুজুল হক আনার, পিআর ব্রিকসের পলিন চন্দ্র রায়, চিরিরবন্দর উপজেলার এনএইচ ব্রিকসের নাজমুল হুদা, আরএ ব্রিকস-১ ও ২ এর রফিকুল ইসলাম, বিরল উপজেলার এমবি ব্রিকসের মাসুদ রানা, এএম ব্রিকসের রবিউল হাসান, কাহারোল উপজেলার এএস ব্রিকসের এসএম হায়দার, ফুলবাড়ী উপজেলার রহমান ব্রিকসের স্বত্বাধিকারী ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিল্টন, নবী ব্রিকসের মাসুদুর রহমান চৌধুরী, এলএইচবি ব্রিকসের লোকমান হাকিম, এসবি ব্রিকসের মঞ্জুরী ইশ শাহাদৎ, নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার এনআরবি ব্রিকসের শফিকুর রহমান, রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার কাজী ব্রিকসের কুদরতি খুদা ও আসাদুজ্জামান।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, পরস্পর যোগসাজশে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও লাইসেন্স না থাকার পরও ইটভাটা চালু রাখার দুইটি জাল ও রিটের আদেশ তৈরি করেন। এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইনের ৮ (১) ধারায় উৎপাদন, প্রতিপালন না করায় তাদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের আদেশে দিনাজপুরের পার্বতীপুর মডেল থানায় গত ২০ জুন উপপরিদর্শক মো. আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে দিনাজপুরের ২৯টি, নীলফামারীর ১টি ও রংপুরের ১টি ইটভাটার মালিকের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।

মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি এ্যাডভোকেট আজিজুল ইসলাম জুগলু। আর আসামী পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান জাহানী ও সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট তহিদুল হক সরকার।