টানা ১০ দিন থেকে ৩ দফা দাবীতে আন্দোলন করছে বিআরডিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড এর অাট হাজার কর্মকর্তা কর্মচারী তিন দফা দাবী নিয়ে টানা ১০ দিন কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের অাহবায়ক মনিরুল ইসলাম জানায় বিআরডিবিতে দীর্ঘ ২০-২৫ বছর চাকুরী করেও চাকুরী স্থায়ী করন হয়নি এবং নিয়মিত বেতন ভাতা পাচ্ছিনা। তাই বাধ্য হয়ে অান্দোলনে নেমেছি। বিআরডিবি কর্তৃপক্ষ অামাদের সাথে ভালো ব্যবহার করেনি তারা অামাদের আন্দোলন নৎসাত করার জন্য বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিচ্ছে। অামরা তাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। অামরা যারা পল্লী উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি তারাই অাজ দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অামাদের এই বৈষম্যের কথা জানতে পারলে অবশ্যই অামাদের এই সমস্যার সমাধান হবে। তাই আমরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য অান্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। ঠাকুরগাঁও থেকে অাসা অান্দোলনে অংশগ্রহনকারী মোছাঃ ঝর্ণা বেগম বলেন অামি ১৫ বছর থেকে চাকুরী করছি অামার দ্বারা অনেক পরিবার স্বাবলম্বী হয়েছে কিন্তু অামি নিজে দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করছি। পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে অান্দোলনে নেমেছি। দাবী অাদায় নাহওয়া পর্যন্ত বাড়ি ফিরে যাবোনা প্রয়োজনে এখানে মৃত্যু বরণ করবো। বৃষ্টি রাণী মৃধা নামের অারেকজন আন্দোলন কারী বলেন পরিবার পরিজন রেখে অান্দোলনে নেমেছি, কেন নেমেছি? বিষয়টি কর্তৃপক্ষের ভেবে দেখা উচিত। ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামী রাজনীতি করি বিভিন্ন আন্দোলন করেছি এখন জীবিকার তাগিদে অান্দোলনে নেমেছি অামাদের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ হবেনা। অামরা জননেত্রী শেখ হাসিনার সৈনিক। নেত্রীর সাথে দেখা করে তবেই ঘরে ফিরবো।

অান্দোলনকারীদের তিনটি দাবি হচ্ছেঃ-

১। চাকুরী রাজস্ব করন করতে হবে।

২। বিঅারডিবিকে বঙ্গবন্ধু পল্লী উন্নয়ন অধিদপ্তর করতে হবে।

৩। চাকুরী স্থায়ী করন নাহওয়া পর্যন্ত বেতন ভাতা দিতে হবে।